মেছতা নিয়ে ভুগছেন এমন অনেকেই আছেন। বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকরই মেছতা (melasma) দেখা দেয়। কপালে, গালে বা নাকের উপর নরমাল স্কিনটোনের থেকে একটু গাঢ় ছোপ ছোপ দাগ দেখা যায়, এটাকেই মেছতা বা মেলাসমা বলে।
মেলাসমা তিনভাগে ভাগ করা হয়েছে – এপিডার্মাল, ডার্মাল, মিক্সড মেলাসমা জেনেটিক্স বংশগতভাবেও মেছতা হয়ে থাকে। এছাড়া অতিরিক্ত হিটের মধ্যে থাকলেও কিন্তু মেছতা হয়ে থাকে। যেমন আগুনের হিট; রান্নাঘরে নারীদের বেশি কাজ করা হয় আর আস্তে আস্তে স্কিনে মেলাসমা দেখা দেয়।
সূর্যের ইউভি রে আমাদের স্কিন ড্যামেজ করে থাকে। হরমোনাল কারনেও মেছতা নারী পুরুষ সবারই হতে পারে। গবেষনায় দেখা গেছে, পুরুষের তুলনায় ৯০% নারীর মেছতা হয়ে থাকে। কনট্রাসেপটিক পিল বা প্রেগনেন্সির সময় বা পরে হরমোনাল পরিবর্তনের ফলে মেছতা দেখা দেয়। গর্ভবতী মহিলাদের শরীরে ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। তাই মেলাসমার বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। আবার থাইরয়েডের প্রবলেম থাকলেও মেছতা হতে পারে। বেশি স্ট্রেস নিলেও কিন্তু স্কিনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া পরে।
সমাধান কী?
বেসিক স্কিন কেয়ারই কিন্তু অনেক সমস্যার সমাধান দিতে পারে। ভালোমত ক্লেনঞ্জার দিয়ে ফেইস ক্লিন করে নেয়া, টোনার, সিরাম, ময়েশ্চারাইজার, সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই এই প্রতিটি স্টেপই মেনে চলতে হবে।
টোনার স্কিনের পি.এইচ ব্যালেন্স করতে সাহায্য করে। টোনার ত্বককে প্রিপেয়ার করে।
সিরামের ক্ষেত্রে ভিটামিন সি ডার্ক স্পট কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। ভিটামিন এ বা রেটিনল স্কিন সেলের টার্ন ওভার বাড়িয়ে দেয় |
ময়েশ্চারাইজার স্কিনের পিগমেন্টেশন কমিয়ে স্কিনকে ব্রাইট করে। দিনের বেলা সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে।
সানস্ক্রিন ব্যবহার না করে বাহিরে গেলে সূর্যের ইউভি রে সরাসরি আমাদের স্কিনকে ড্যামেজ করে থাকে। প্রচণ্ড হিটের সামনে গেলেও কিন্তু সানস্ক্রিন ব্যবহার করতে হবে। ঘরে থাকলেও সানস্ক্রিন অ্যাপ্লাই করতে হবে।